জমির মালিকানা হস্তান্তরের সময় সবচেয়ে জটিল ধাপগুলোর একটি হলো নামজারি। অনেকে বছরের পর বছর অপেক্ষা করেন, অথচ সঠিক কাগজপত্র হাতে থাকলে কাজটা পনেরো দিনেরও কম সময়ে সেরে ফেলা যায়। আমি
গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ভূমি কর বা খাজনা পরিশোধের জন্য নতুন হোল্ডিং খোলার নিয়ম নিয়ে অনেক আলোচনা চলছে। বিশেষ করে যারা নতুন বাড়ি করেছেন, বা পুরোনো জমির মালিকানা
একটি বিষয় যা আমাদের সমাজে প্রায়ই উপেক্ষিত হয়, কিন্তু অত্যন্ত জরুরি মৃত্যুর পর দেনমোহর ও ঋণ পরিশোধের নিয়ম। আমি সম্প্রতি এই বিষয়ে গভীরভাবে গবেষণা করেছি। ইন্টারনেটে সার্চ করে দেখেছি সাম্প্রতিক
মাঠ পর্চা ও পর্চার নকল তোলার বিষয়টি দেশের জমি সংক্রান্ত কাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি সময়ে নিয়মকানুনে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। আমি নিজে এই বিষয়ে গভীরভাবে তথ্য ও উপাত্ত নিয়ে গবেষণা
ঠিক গত সপ্তাহেই আমার এক বন্ধু জমি নিয়ে বিপাকে পড়ল। কাগজপত্র খুঁজে পাচ্ছিল না, আর সময় কম ছিল। আমি তখনই তাকে বললাম, "কেন তুমি অনলাইনে খতিয়ান ডাউনলোড করো না?" সে
আমি সরাসরি বিষয়টির পেছনে পড়ে গেলাম। জানেন, ইন্টারনেটে খোঁজাখুঁজি করে প্রথমে যে তথ্যগুলো চোখে পড়ল, সেগুলো ছিল বেশ পুরনো। কিন্তু আমি থামলাম না। একে একে সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, জেলা
আপনার জমির খতিয়ান অনলাইনে দেখা এখন অনেক সহজ। আমি নিজে সম্প্রতি এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে বিস্তারিত খোঁজ করেছি। দেখলাম, বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে বেশিরভাগ মানুষই
বাংলাদেশে ভূমি উন্নয়ন কর, যাকে আমরা সবাই খাজনা বলি, তা অনলাইনে দেওয়ার সময় অনেকেরই একটি বড় ধাঁধার মুখে পড়তে হয় খতিয়ান সংযুক্ত করবেন কীভাবে? ব্যাপারটা সহজ শোনালেও, বাস্তবে দেখা যায়
বাবার সম্পত্তি নিয়ে পরিবারে দ্বন্দ্ব এটা নতুন কিছু নয়। ছেলে বনাম মেয়ে, এই লড়াইটা যেন হাজার বছরের। কিন্তু আইন কী বলছে? আর বাস্তবে কী হচ্ছে, সেটাই বড় কথা। আমি নিজে
আমার মাথার ভেতরটা গত কয়েকদিন ধরে একটা বিষয়েই ঘুরছে। মায়ের সম্পত্তি নিয়ে মেয়েদের অধিকার এই নিয়ে আমরা সবাই কমবেশি জানি। কিন্তু আসল গল্পটা জানি কি? সেটা কাগজে যেমন লেখা আছে