নিজের জমিতে ধান, সবজি বা ফলের চাষ করতে চান, অথচ খতিয়ানে জমির শ্রেণি লেখা রয়েছে অকৃষি। এমন পরিস্থিতিতে অনেকের প্রশ্ন, অকৃষি জমি কৃষি জমিতে রূপান্তর করা যায় কি না। উত্তর
জমি কেনা, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কিংবা দান হিসেবে গ্রহণের পর অনেকেই মনে করেন, দলিল হাতে থাকলেই সব কাজ শেষ। বাস্তবে জমির সরকারি রেকর্ডে নতুন মালিকের তথ্য হালনাগাদ করাও জরুরি। এই কাজকেই
একটি খতিয়ানে একাধিক মালিকের নাম থাকলে প্রত্যেকের জমির পরিমাণ নির্ধারণ করতে মালিকানার হিস্যা ও খতিয়ানভুক্ত জমির পরিমাণ জানতে হয়। যেমন, ৪০ শতক জমিতে কারও হিস্যা ০.২৫০ হলে তাঁর অংশ হয়
জমি বা বাড়ি ভালোবেসে কাউকে দান করার পর অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে, দানপত্র দলিল বাতিল করা যায় কি? বিশেষ করে সন্তান সম্পত্তি পাওয়ার পর বাবা-মায়ের খোঁজ না নিলে, পারিবারিক সম্পর্ক
কোনো শিশু উত্তরাধিকার, দান কিংবা অন্য বৈধ উপায়ে জমি বা বাড়ির মালিক হতে পারে। কিন্তু বাবা, মা বা অন্য আত্মীয় তা ইচ্ছামতো বিক্রি করতে পারেন না। বাংলাদেশের আইনে নাবালকের সম্পত্তি
জমির কাগজপত্রে ‘একসনা বন্দোবস্ত’ কিংবা ‘স্থায়ী বন্দোবস্ত’ লেখা থাকলে অনেকেই ধরে নেন, দুটি একই ধরনের জমির অধিকার। বাস্তবে এদের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে। একসনা বন্দোবস্তে সাধারণত নির্দিষ্ট এক বছরের জন্য
জমির দলিল হাতে থাকলেও অনেকেই বুঝতে পারেন না, কাগজে লেখা দাগ নম্বরটি নকশার ঠিক কোথায় আছে। আবার একই জমির পুরোনো দলিলে এক নম্বর, নতুন খতিয়ানে অন্য নম্বর দেখে বিভ্রান্তি তৈরি
সরকারের কাছ থেকে বন্দোবস্ত পাওয়া জমি অনেক পরিবারের বাসস্থান, কৃষিকাজ কিংবা জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। কিন্তু বন্দোবস্তের কাগজ হাতে পেলেই জমিটি সব পরিস্থিতিতে নিজের ইচ্ছামতো ব্যবহার করা যায় না। বরাদ্দের উদ্দেশ্য,
বাংলাদেশে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং বিশেষ করে কৃষি খাসজমি বন্দোবস্তের আবেদনে ভূমিহীন সনদ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রত্যয়নপত্র। অনেকের ধারণা, নিজের নামে কোনো জমি না থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই সনদ পাওয়া
জমির খতিয়ানে নাল, ভিটি, ডাঙ্গা, বাগান, পুকুর, ধানী জমি কিংবা অন্য কোনো শ্রেণি লেখা থাকলেও বাস্তবে জমিটির ব্যবহার সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। আবার অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবে কোনো পরিবর্তন না