কোনো মুসলিম ব্যক্তি মারা গেলে তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তি শুধু “ছেলে দুই অংশ, মেয়ে এক অংশ” ধরে ভাগ করা যায় না। এই অনুপাত নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে পুত্র ও কন্যা
জমি নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে অনেকেই প্রথমেই আদালতে মামলা করার কথা ভাবেন। কিন্তু জমি সংক্রান্ত সব সমস্যার সমাধান একই আদালতে হয় না। মালিকানা নিয়ে বিরোধ, জমি বণ্টন, বেদখল, জাল দলিল,
পুরনো দলিলের মূল কপি হারিয়ে গেলে, নষ্ট হলে, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তির কাগজ যাচাই করতে হলে বা জমি কেনার আগে আগের মালিকানার ধারাবাহিকতা দেখতে হলে দলিলের নকল প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশে এটিকে
জমি কেনাবেচা বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধন একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া। শুধু জমির মূল্য পরিশোধ বা জমির দখল গ্রহণ করলেই ক্রেতার স্বার্থ যথাযথভাবে সুরক্ষিত হয় না। প্রযোজ্য আইন ও সরকারি
পরিবারের কোনো সদস্য মারা যাওয়ার পর সম্পত্তি বণ্টনের সময় সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নগুলো সামনে আসে, তার একটি হলো স্ত্রী ও মেয়েরা সম্পত্তির কতটুকু অংশ পাবে। অনেক পরিবারে এখনো ধারণা আছে
মা মারা যাওয়ার পর তাঁর সম্পত্তিতে ছেলে ও মেয়ে কতটুকু অংশ পাবে এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই সরাসরি বলেন, ছেলে দুই ভাগ এবং মেয়ে এক ভাগ পাবে। কথাটি মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের
কোনো মুসলিম ব্যক্তি মারা গেলে তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ইচ্ছামতো ভাগ করার বিষয় নয়। ইসলামে উত্তরাধিকার বণ্টনের জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে, যাকে সাধারণভাবে ফারায়েজ বলা হয়। এখানে কে উত্তরাধিকারী হবেন,
জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর কয়েক বছর পরিশোধ না করলে অনেক মালিকের প্রথম দুশ্চিন্তা হয়, জমি নিয়ে কোনো আইনি সমস্যা হবে কি না এবং কত টাকা জরিমানা দিতে হবে।
বাংলাদেশে ভূমি উন্নয়ন করকে সাধারণভাবে খাজনা বলা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থার মাধ্যমে জমির মালিকরা নিবন্ধন, জমির তথ্য যাচাই এবং প্রযোজ্য কর পরিশোধের মতো