জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর নিয়মিত পরিশোধ না করলে কী হয়, তা নিয়ে জমির মালিকদের মধ্যে বিভিন্ন ভুল ধারণা রয়েছে। কেউ মনে করেন এক বছর খাজনা বকেয়া হলেই জমি
বাংলাদেশে ভূমি উন্নয়ন করকে সাধারণভাবে খাজনা বলা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থার মাধ্যমে জমির মালিকরা নিবন্ধন, জমির তথ্য যাচাই এবং প্রযোজ্য কর পরিশোধের মতো
আমার চারপাশে অনেকেই জানতে চান, "জমির বকেয়া খাজনা কত টাকা আছে সেটা অনলাইনে দেখার উপায় কি?" এই প্রশ্নটা শুনলেই আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে যায়। আমি নিজেও কয়েক মাস
সরকারি জমির খাজনা দেওয়ার জন্য আর লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস মানে বিকাশ আর রকেট এখন হাতের মুঠোয় এই কাজ সেরে ফেলা যায়। কিন্তু নিয়মগুলো আসলে
গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ভূমি কর বা খাজনা পরিশোধের জন্য নতুন হোল্ডিং খোলার নিয়ম নিয়ে অনেক আলোচনা চলছে। বিশেষ করে যারা নতুন বাড়ি করেছেন, বা পুরোনো জমির মালিকানা
বাংলাদেশে ভূমি উন্নয়ন কর, যাকে আমরা সবাই খাজনা বলি, তা অনলাইনে দেওয়ার সময় অনেকেরই একটি বড় ধাঁধার মুখে পড়তে হয় খতিয়ান সংযুক্ত করবেন কীভাবে? ব্যাপারটা সহজ শোনালেও, বাস্তবে দেখা যায়
গ্রামবাংলা থেকে শহরের ফ্ল্যাট প্রায় প্রতিটি ভূ-সম্পত্তির জন্যই ভূমি উন্নয়ন কর জমা দেওয়ার প্রয়োজন। এখন এই কাজ অনলাইনেই করা যায়। কিন্তু সেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতেই প্রয়োজন রেজিস্ট্রেশন। সম্প্রতি এই
অনলাইনে খাজনা পরিশোধের পর রসিদ না পাওয়া এখন অনেকেরই মাথাব্যথার কারণ। বিশেষ করে সম্প্রতি এপ্রিল-জুন ২০২৬ সময়ে বাংলাদেশে এনআইডি সেবা, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও বিভিন্ন সরকারি ফি পরিশোধে এই সমস্যা