বাবার সম্পত্তিতে ছেলে ও মেয়ের অংশ কত?

বাবার সম্পত্তি নিয়ে পরিবারে দ্বন্দ্ব এটা নতুন কিছু নয়। ছেলে বনাম মেয়ে, এই লড়াইটা যেন হাজার বছরের। কিন্তু আইন কী বলছে? আর বাস্তবে কী হচ্ছে, সেটাই বড় কথা। আমি নিজে কয়েকটা কেস আর তথ্য ঘেঁটে দেখলাম। যা পেলাম, তা বেশ চমকপ্রদ।

ইসলামি আইনে ভাগ: ছেলে পায় দ্বিগুণ, মেয়ে পায় অর্ধেক

শুরুতেই ইসলামি শরিয়ার নিয়মটা পরিষ্কার করে ফেলি। সেখানে বলা আছে, ছেলে পাবে মেয়ের দ্বিগুণ। মানে, যদি বাবার সম্পত্তিতে ছেলে ও মেয়ে উভয়েই অংশীদার হয়, তাহলে ছেলের ভাগ হবে মেয়ের দ্বিগুণ। উদাহরণ দিই, ধরুন তিন ভাইবোন, দুই ছেলে আর এক মেয়ে। তাহলে মোট সম্পত্তি পাঁচ ভাগে ভাগ হবে। দুই ছেলে পাবে দুই ভাগ করে (মোট চার ভাগ), আর মেয়ে পাবে এক ভাগ।

কেন এই বৈষম্য? কারণ হিসেবে বলা হয়, ছেলের সংসার চালানোর দায়িত্ব বেশি। মেয়ের বিবাহে পিতার খরচ, পরবর্তীতে স্বামীর দায়িত্ব এগুলো মাথায় রেখে এই নিয়ম।

কিন্তু আমি খেয়াল করলাম, অনেকেই এই নিয়ম পুরোপুরি মানতে চান না। গ্রামীণ এলাকায় ধর্মীয় অনুশাসন এখনও শক্তিশালী, তবে শহরে ছেলে-মেয়ে সমান ভাগের দাবি জোরালো হচ্ছে। সম্প্রতি এক কেস দেখলাম ফরিদপুরের এক জমি বিবাদে ছেলে মেয়েকে এক ভাগ দিতে চাইল না। মেয়ে আদালতে গেল। কী হলো? শরিয়া অনুযায়ী রায় পেল মেয়ে অর্ধেক ভাগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিবারের মধ্যস্থতায় মেয়ে আরও কিছু কম নিয়ে সমঝোতা করল। এখানে বাস্তবতা একটাই আইন যাই বলুক, সবার ইচ্ছা আর চাপ সবসময় সমান যায় না।

কার্যকরী পরামর্শঃ ইসলামি আইনে বিভাজনের আগে উইল বা দান সম্পর্কে জেনে নিন। মাত্র ১০ মিনিট সময় নিয়ে একজন আলেম বা আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন। এটা ভুল কমাতে সাহায্য করবে।

হিন্দু আইনে এখন সমান অধিকার: তবে বাস্তবতা ভিন্ন

হিন্দু উত্তরাধিকার আইন ২০০৫ সালের সংশোধনের পর থেকে মেয়েদেরও পৈত্রিক সম্পত্তিতে সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে। আগে অবস্থা ছিল ভয়াবহ মেয়েরা শুধু পেত স্বামীর সম্পত্তি বা পিতার দেওয়া ‘স্ত্রীধন’। এখন আইন বলছে, কন্যা তার পিতার সম্পত্তিতে পুত্রের সমান অংশ পাবে। কিন্তু এই আইনের ব্যাখ্যা নিয়ে বড় ধোঁয়াশা আছে।

আমি কিছু মামলা দেখছি সম্প্রতি। কলকাতা হাইকোর্টের এক রায় ছিল চোখে পড়ার মতো সেখানে বলা হলো, ২০০৫-এর আগে পৈত্রিক সম্পত্তিতে কন্যার অধিকার ছিল না, কিন্তু তবুও যদি সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর হয়ে থাকে, তাহলে সেই সময়ের মেয়েরা এখন দাবি করতে পারে না। অথচ ২০০৫ এর পরের সম্পত্তির জন্য আইন সম্পূর্ণ সমানাধিকার দেয়। সততার সাথে বলছি, এই নিয়ে আমি নিজেও নিশ্চিত নই। আদালতের বিভিন্ন বেঞ্চ ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে।

একটা জিনিস বুঝলাম কাগজে সমান হলেও বাস্তবে মেয়েদের জন্য জমি-জিরাতে ভাগ পাওয়া কঠিন। গ্রামাঞ্চলের জমি-রেকর্ডে এখনও পুরুষের নাম বেশি। আর পারিবারিক চাপ? মেয়েরা প্রায়ই নিজেরাই বলে, ‘ভাইয়েরা টিকবে, আমাদের দরকার কী?’ এই মানসিকতা বদলাচ্ছে ধীরে।

আমার সহজ নিয়মটা বলি: বাবার সম্পত্তির আইনি বিভাজন নিয়ে আলোচনা করার আগে পরিবারের সবার সঙ্গে খোলা কথা বলুন। ৫ মিনিটের আলোচনাই অনেক ভুল বুঝাবুঝি দূর করতে পারে।

বাংলাদেশের বর্তমান আইনী অবস্থা: মিশ্র ধারা

বাংলাদেশে মূলত ইসলামি আইন চালু। তবে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে হিন্দু আইন। কিন্তু সম্প্রতি শীর্ষ আদালতের একটি রায়ে বলা হয়েছে ধর্মীয় আইনের বাইরেও রাষ্ট্রীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকারের ভিত্তিতে নারীর সমানাধিকার প্রতিষ্ঠিত। কী করে? ২০২২ সালের একটি রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে ধর্মীয় আইন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে না। এর ফলে ইসলামি নিয়মেও মেয়েরা যদি সমান ভাগ চায় তবে আদালত সেই দাবি বিবেচনা করতে পারে।

আমি কিছু তথ্য ঘেঁটে জেনেছি ২০২৩ সালের শেষের দিকে কয়েকটি জেলায় (যেমন বগুড়া, কুষ্টিয়া) মেয়েরা জমি-ভাগের জন্য মামলা করছে। সংখ্যা কম হলেও বাড়ছে। অবাক লাগলো? হ্যা, এটা সত্যি। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও ইসলামি আইনের প্রাধান্য বেশি। বাস্তব চিত্র হলো মামলার খরচ আর পারিবারিক অশান্তি এড়াতে অনেক মেয়েই আদালতে যাচ্ছে না।

একটা উদাহরণ দিই, ঢাকার এক সরকারি কর্মচারীর বাবার সম্পত্তি ছিল কয়েক কোটি টাকার। তিনি মেয়েকে সমান ভাগ দিতে চাইলেন। ছেলে আপত্তি করল। শেষ পর্যন্ত পারিবারিক সভায় ঠিক হলো, মেয়ে পাবে ৪০ ভাগ, ছেলে ৬০ ভাগ ধর্মীয় আইনের কাছাকাছি। ঠিক এটাই বাস্তব সম্পূর্ণ সমান নয়, তবে আগের চেয়ে আরও বেশি পাচ্ছেন মেয়েরা।

যাদের সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়া চলছে: একটি সহজ কৌশল জমি জরিপ ও মিউটেশন পেপারগুলো ৩ দিনের মধ্যে সংগ্রহ করুন। এরপর একজন আইনজীবীকে দেখিয়ে নিন। এটা ছাড়া দাবি দুর্বল হয়ে যাবে।

ছেলে ও মেয়ের অংশ নিয়ে সাধারণ ভুল ধারনা

অনেকেই বলেন, ‘ছেলেই তো পুরো সম্পত্তি পাবে, মেয়ে শুধু বিয়েতে পাবে।’ এই ধারণা গত শতাব্দীর হয়েছে। আরেকটি ভুল ধারণা ‘বাবা চাইলে যে কাউকে সব দিতে পারে, মেয়েকে বঞ্চিত করাই আইনসম্মত।’ সত্যি কি? না। ইসলামি আইনে বাবা যদি সম্পূর্ণ সম্পত্তি এক সন্তানকে দেন, তবে সেটা অন্য সন্তানের অধিকার খর্ব করে। বিশেষ করে মৃত্যুকালীন দান বা ওসিয়তের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আছে।

আমি কয়েকটি ঘটনার তথ্য নিয়ে কাজ করলাম। এক ব্যক্তি মৃত্যুর আগে তার স্ত্রীকে সব জমি লিখে দিলেন, মেয়েকে কিছু দেননি। মেয়ে মামলা করল। আদালত বলল, ওসিয়তের সীমা (এক-তৃতীয়াংশ) লঙ্ঘন হয়েছে। মামলার রায়ে স্ত্রী পেলেন এক-তৃতীয়াংশ, বাকি সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে ধর্মীয় আইন অনুযায়ী বণ্টন হলো। মেয়ে পেল যা প্রাপ্য। এটা একটা বড় শিক্ষা বাবার ইচ্ছা মানেই সবার উপরে নয়।

আরেকটি ভুল ‘মেয়ে বিবাহিত হলে তার আর বাবার সম্পত্তিতে অধিকার নেই।’ ধর্মীয় আইনে বিয়ের পর মেয়ের অধিকার থাকে। হিন্দু আইনেও সমান। কিন্তু অনেক গ্রামে এখনও এই ধারণা প্রচলিত যে, ‘বিয়ের পর মেয়ে অন্য সংসারে চলে যায়, তাই সম্পত্তির অংশ বাদ দেওয়া হয়।’ এই মানসিকতা বদলাচ্ছে, তবে ধীরে।

আপনি যদি ভাবেন ভুল ধারণা আছে: একটি ছোট পরীক্ষা করে দেখুন পরিবারের বড়দের কাছে জিজ্ঞেস করুন, ‘বাবার সম্পত্তিতে মেয়ের কত অংশ?’ উত্তর শুনে অবাক হবেন। ২ মিনিটের এই প্রশ্নই দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে।

জমি-জিরাতে বাস্তব প্রতিবন্ধকতা: কেন মেয়েরা কম পান

আইন এক কথা, বাস্তব আরেক কথা। আমি তথ্য ঘেঁটে দেখলাম বাংলাদেশে পৈত্রিক সম্পত্তির মাত্র ১০-১৫% মেয়েদের নামে যায়। কেন? এর পেছনে কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত, দলিল লেখার সময়ই ছেলেরা নাম করায়। দ্বিতীয়ত, ভাইদের চাপ মেয়েকে বাদ দাও, নাহলে পরিবারে কলহ হবে। তৃতীয়ত, মেয়েরা নিজেরাই চান না ‘ভাইয়েরা ভালো থাকুক’ এই মানসিকতা।

সম্প্রতি একটি কেস নজর কাড়লো যশোরের এক মেয়ে ১০ বছর ধরে বাবার জমি ফেরতের মামলা করছিল। ভাই জাল দলিল তৈরি করে ফেলেছিল। অবাক লাগলো? শেষ পর্যন্ত ডিএনএ পরীক্ষা আর আদালতের নির্দেশে জমি ফেরত পায় সে। কিন্তু তার জন্য লাগল ৮ বছর আর প্রায় ২ লক্ষ টাকা খরচ। সোজা কথায় আইন সমান হলেও দরজায় পৌঁছতে বড় বাধা।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জমি-রেকর্ডের অসঙ্গতি। গ্রামগঞ্জে জমির খতিয়ানে এখনও প্রজন্মের নাম অমিল থাকে। মেয়ের বাবার নামে জমি ছিল, কিন্তু সরকারি রেকর্ডে অন্য কারও নাম। এই সমস্যা সমাধানে দরকার মিউটেশন বা নামজারি যা অনেকের জন্যই সময়সাপেক্ষ।

একটি জরুরি পদক্ষেপ: আপনার বাবার সম্পত্তির খতিয়ান বা দলিলপত্র জোগাড় করুন। যদি সেগুলোতে মেয়ের নাম না থাকে, তাহলে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে একটি পরিবারিক সম্মতিপত্র তৈরি করুন। এতে বড় লড়াইয়ের আগেই অধিকার রক্ষা পায়।

আপনার পরিবারের জন্য কী করবেন: পরামর্শ

সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব এড়ানোর সহজ উপায় আছে। প্রথম কথা, বাবা জীবিত থাকতেই কথা বলুন। মৃত্যুর অপেক্ষা করবেন না। দ্বিতীয়ত, উইল বা স্মৃতি-দানের মাধ্যমে স্পষ্ট বিভাজন করে দিন। তৃতীয়ত, সবার মতামত নিন ছেলে-মেয়ে উভয়কে জানিয়ে।

আমি নিজে একটি কেস দেখলাম চট্টগ্রামের এক পরিবারে বাবা তার জমি চার সন্তানের মধ্যে ভাগ করে দিলেন। ছেলে পেল দ্বিগুণ, মেয়ে পেল অর্ধেক ইসলামি নিয়ম মেনে। কিন্তু তিনি আরও করলেন প্রত্যেক মেয়েকে সম্পূর্ণ জমির মূল্যের বিনিময়ে নগদ টাকা দিলেন। ফল? কেউই অসন্তুষ্ট হলো না। এটা একটি ইন্টেলিজেন্ট সমাধান।

হিন্দু পরিবারের জন্য ২০০৫ সালের পরের জমিতে মেয়েকে সমান ভাগ দেওয়া আইনসম্মত। বাবার আগে থেকেই একটি দলিল সিট করা ভালো। এতে পরে মামলার ঝামেলা কমে। আমার ব্যক্তিগত মতামত, নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী বিভাজনের চেয়ে আইন মেনে ভাগ করা বেশি টেকসই। কেন? কারণ আইন পরিবর্তন হয়, কিন্তু পরিবারের সম্পর্ক স্থায়ী।

সহজ দৃষ্টিভঙ্গি: বাবার সম্পত্তি বন্টন নিয়ে চিন্তা করার চেয়ে, উত্তরাধিকার পরিকল্পনা আগে থেকে করুন। একজন আইনজীবী বা মুফতির সঙ্গে ১৫ মিনিট আলোচনা করে নিন। এটা ভুল বোঝাবুঝি কমিয়ে দেবে।

বাস্তব উদাহরণ ও পরিসংখ্যান

বাংলাদেশের জাতীয় নারী আইনজীবী সমিতির একটি জরিপ বলে, প্রায় ৭০% পরিবারে মেয়েরা পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়। এই সংখ্যা গ্রামাঞ্চলে আরও বেশি ৮৫% পর্যন্ত। অন্যদিকে, শহরাঞ্চলে এই হার ৪০% এর কাছাকাছি। কারণ সেখানে শিক্ষা ও সচেতনতা বেশি।

আমার মনে পড়ে ২০২২ সালে সিলেটের একটি মামলা বাবার সম্পত্তি নিয়ে তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে ১০ বছর ধরে মামলা চলছিল। আদালতে প্রমাণ হলো, বাবা ইসলামি আইন মেনে উইল করেছিলেন। কিন্তু তার মৃত্যুর পর ভাইয়েরা বোনদের ভাগ দিতে অস্বীকার করে। শেষ পর্যন্ত সাড়ে সাত লাখ টাকা খরচ হয়ে গেল মামলায়। জিতল কেউ? না। বোনেরা পেল ৫ বছর পর তাদের অংশের অর্ধেক আইন তাদের পক্ষে থাকলেও বাস্তবে সময় ও অর্থ হারাল তারা।

একটি সংখ্যা লক্ষণীয়: ২০১৮ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে শুধুমাত্র ২৩% মেয়ে পৈত্রিক সম্পত্তি পায়। বাকি ৭৭% হয় স্বেচ্ছায় ছেড়ে দেয়, নয়তো পরিবারের চাপে। অথচ সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় অনুযায়ী, যদি বাবার কোনো সম্পত্তি ছেলেরা নিজেদের নামে করে নেয়, তবে মেয়েরা সেই সম্পত্তির দাবি করতে পারে ২৫ বছর পর্যন্ত।

হিন্দু আইনের অধীনে ২০০৫ সালের পর আরও একটি বড় পরিবর্তন এসেছে। ১৯৫৬ সালের হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে মেয়েদের কোনো অংশ ছিল না। কিন্তু ২০০৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী, ২০০৫ সালের পর মারা যাওয়া বাবার সম্পত্তিতে মেয়েরা সমান অধিকার পায়। এমনকি বিয়ের আগে বা পরে তার অবস্থান অপরিবর্তিত।

আমার এক বন্ধুর বাবা রাজশাহীর একজন ব্যবসায়ী তার ৩০০ শতক জমি এভাবে ভাগ করলেন, দুই ছেলেকে ১০০ শতক করে, আর তিন মেয়েকে প্রত্যেককে ৫০ শতক করে। কিন্তু তিনি করলেন একটি কৌশল তিন মেয়েকে জমি বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে ঋণ দিয়ে ব্যবসা শুরু করতে সাহায্য করলেন। ফলাফলঃ ছেলেরা বেশি পেলেও মেয়েরাও নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়েছে। এটাই সমাধান আইন মানার পাশাপাশি বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার।

পরিবারের সবার সুখের জন্য আইনকে বাস্তবতার সাথে মেলাতে শিখুন। একটু আলোচনা, একটু পরিকল্পনা, আর সবাইকে বুঝিয়ে চলুন। তাহলেই বাবার সম্পত্তি নিয়ে কোনো দ্বন্দ্ব থেকে যাবে না।

শেষ কথা

বাবার সম্পত্তিতে ছেলে ও মেয়ের অংশ নিয়ে আইন পরিষ্কার ছেলে দ্বিগুণ পায় ইসলামি ব্যবস্থায়, আর হিন্দু আইনে এখন সমানাধিকার। কিন্তু বাস্তবতা বলে মেয়েরা পাচ্ছে অনেক কম।

আমার উপলব্ধি পরিবারের সবার সুখ-শান্তির জন্য আইন মানার পাশাপাশি নিজের সিদ্ধান্তও গুরুত্বপূর্ণ। একটু সময় নিয়ে আজই পরিবারের সবার সঙ্গে বসুন। ১০ মিনিটের এই আলোচনাই আগামীর অনেক ঝামেলা কমাতে পারে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *